

যে কোনো সমাজ টিকে থাকে মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে। সহযোগিতার এই ভিত্তি দুর্বল হতে থাকলেই সমাজও ভেতর থেকে দুর্বল হতে থাকে। প্রমাণ পাওয়া যায় নানা অসঙ্গতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড আরম্ভ হলে....
সমাজের স্বার্থ না ভেবে, মানুষ নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখলেই সমাজে 'সহযোগী' কথাটার বিপরীতে 'প্রতিপক্ষ' কথাটা চালু হয়ে যায়। এভাবেই ঘটে শত্রুতার সূত্রপাত।
একটা সমাজে ভালো ও মন্দ, দুই ধরণের মানুষই থাকতে পারে। থাকেও। কেবল এ ক্ষেত্রেই মন্দ মানুষগুলোকে ভালো মানুষের প্রতিপক্ষ ধরে নেওয়া যেতে পারে। সত্য, ন্যায় ও সুন্দর প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিপক্ষ অর্থাৎ মন্দ মানুষগুলোকে পরাস্ত করে সহযোগী বানানোর আরেক নাম 'সামাজিকতা'। বড় রকমের সামাজিকতা। এই সামাজিকতা রক্ষা করার জন্যই জগতে ধর্ম, শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য প্রভৃতি কী না আসেনি?
"মানুষকে শত্রু নয়, বন্ধু বানাতে হবে"--এই শিক্ষাটা যদি এখনই ধর্ম কিম্বা শিক্ষা কিম্বা শিল্পসাহিত্যের মধ্যমে প্রজন্মের ভেতর ঢুকাতে না পারি; তবে ভবিষ্যতে হানাহানি আরও বাড়বে। কমবে না। শত্রু বানানোর নিয়ম জঙ্গলের হতে পারে, সমাজের হতে পারে না। হতে পারে না কোনো মানুষের...
খন্দকার কাওসার আহমেদ’র স্ট্যাটাস থেকে